মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখহাসিনার মাদার অফ হিউম্যানিটি।

 বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ একটি সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী সংগঠন।

কিন্তুু দলের দুঃসময়ে যে তৃনমুলদের রাজপথের অবদান সেটা সুসময়ে কোন কোন নেতা মনে রাখেনা। 

#তৃণমূলে আওয়ামী নেতৃত্বের কবর দিচ্ছে পরিবারতন্ত্র!  


সারা দেশে আওয়ামী লীগের তৃণমূল রাজনীতি দিনে দিনে দখল করে নিচ্ছে পরিবার কেন্দ্রিক ক্ষমতাধরেরা। জনপ্রতিনিধি/নেতাদের অনেকেই তৃণমূলের অংঙ্গ সহোযোগী সংগঠনগুলোতে আধিপত্য বিস্তারে সদা তৎপর থাকেন। নিজের স্ত্রী/স্বামী, ছেলে-মেয়ে, ভাই-ভাতিজা, পরিবারের সদস্য, আত্মীয়-স্বজন ও তল্পীবাহকদের যোগ্যতা কম থাকলেও  বিভিন্ন দলীয় সংগঠনের মূল পদে বসিয়ে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে ব্যস্ত তারা। কোন কোন ক্ষেত্রে ধণাঢ্য অনুপ্রবেশকারীরাও বিশেষ কারণে স্থানীয় পর্যায়ে দলীয় মনোনয়ন, পদ পদবী, ব্যবসা বাণিজ্য এবং দলীয় সুযোগ সুবিধা পেয়ে যাচ্ছে। প্রথমে দলীয় যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীর মনোনয়নের বিরোধিতা করে থাকেন এসব জনপ্রতিনিধি/নেতাগন। তাতে ব্যর্থ হলে দলের প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে বা কৌশলে প্রার্থী দাঁড় করিয়ে বা অন্য কোন উপায়ে ফেল করাতে মরিয়া হয়ে উঠেন; কোন ক্রমেই পরিবারের বাইরের কাউকে নেতা বা জনপ্রতিনিধি হওয়ার সুযোগ দিতে চান না তারা। এছাড়া, কোন কোন সম্মানিত সিনিয়র নেতাগণ ব্যক্তির যোগ্যতার চেয়ে বাপ দাদার পরিচিতিকেই শুধু যোগ্যতার মাপকাঠি হিসেবে বড় করে দেখেন।


জনপ্রিয়তা, যোগ্যতা, অবদান এবং সাংগঠনিক দক্ষতা থাকা সত্বেও দলীয় পদ এবং মনোনয়ন বঞ্চিত করা হয় তৃণমূলের সৎ, জনপ্রিয় এবং ভাল রাজনীতিবিদদের। এমনকি দলের কর্মকান্ডে সক্রিয় হতে বাধা দেয়াসহ দলীয় সকল সুযোগ সুবিধা থেকে ক্ষমতার জোরে বঞ্চিত করা হয় এবং আর্থিক মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেয়া হয় তাদের। শুধু তাই নয়, সমর্থকসহ তাদের কোণঠাসা করতে মামলা হামলা এবং অত্যাচার নির্যাতনসহ বিভিন্নভাবে হেনস্থা করা হয়। বার বার বঞ্চনা ও হয়রানীতে অতিষ্ঠ হয়ে অনেকেই নিষ্ক্রীয় হয়ে পড়েন। কেউ কেউ হারিয়ে যেতে বাধ্য হন রাজনীতির মাঠ থেকে। ফলে, জনপ্রিয় ও যোগ্য নেতৃত্ব বিকশিত হতে পারছে না তৃণমূলে। এভাবেই পারিবারিক অপশক্তি নিজেদের স্বার্থে যোগ্য, জনপ্রিয় এবং দক্ষ সংগঠকদের মাইনাস করতে করতে দিনে দিনে ধ্বংস করে দিচ্ছে আওয়ামী লীগের গর্বিত তৃণমূলকে। 


তৃণমূল বাঁচলে আওয়ামী লীগ বাঁচবে।

তাই --

তাই তৃনমুলদের মুল্যায়ন করুন, যারা কঠিন সময়ে রাজপথে ছিল।

মুকুল বাঘমারহাট, বদরগন্জ, রংপুর।


Comments